DPE SUGGESTION fOR ENGLISH AND BANGLA SUBJECT

dpe Exam Preparation

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা ও ইংরেজি সাজেশনঃ 
বাংলাতে ২০ মার্ক আছে…শুধু এই কয়টা অধ্যায় থেকে আপনারা কম করে হলেও ৮টা প্রশ্ন কমন পাবেন ।
সন্ধি বিচ্ছেদ-১ মার্ক
কারক ও বিভক্তি-১ মার্ক
সমাস-১ মার্ক
বানান শুদ্ধি-১ মার্ক
সমার্থক শব্দ-১ মার্ক
বিপরীত শব্দ-১ মার্ক
বাগধারা-১ মার্ক
এককথায় প্রকাশ-১ মার্ক
প্রকৃতি ও প্রত্যয়-০১ মার্ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর /কাজী নজরুল ইসলাম- ০১ মার্ক

ইংরেজি সাজেশনঃ
ইংরেজিতে ২০ মার্কের প্রশ্ন হবে ।

Right forms of verb, Parts of speech, Tense,Preposition,Article,Narration, Voice change,noun and pronoun , degree, Number,verb

এই ১১ অধ্যায় থেকে কম করে হলেও ১২টা+ প্রশ্ন পাবেন ।
Idioms and Phrases,Antonym, Synonym, Spelling = ৩টা-৪টা
Translation= এখানে আপনি ১-২টা প্রশ্ন পাবেন।
ইংরেজি সাহিত্য থেকে- ১-২টা প্রশ্ন আসতে পারে ।

 

প্রাথমিকে শিক্ষক হতে চাইলে প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে।

রাসেল মাহমুদ 
অনুলিপি –
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান শিক্ষক সংকট নিরসনের জন্য ১২ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার। ৩০ জুলাই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়েছে। আগামীকাল ১ আগস্ট থেকে আবেদন করা যাবে। অনলাইনে আবেদন করার সময় পাওয়া যাবে আগামী একমাস।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে নতুন করে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, সে আলোকে দ্রুতই পরীক্ষা গ্রহণ করা হতে পারে। তাই চাকরি প্রত্যাশীদের হাতে খুব বেশি সময় রয়েছে তা বলা যাবেনা। তাই শিক্ষকতার মহান পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাইলে প্রস্তুতি শুরু করুন এখনই।

পরীক্ষার ধরণ

এ পেশায় আসতে হলে কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে বেশি জরুরি পরীক্ষার ধরণ বুঝতে পারা। পরীক্ষা হয় দুই ধাবে। প্রথমে লিখিত পরে মৌখিক পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে।

বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের প্রতিটি বিষয় থেকে ২০টি করে মোট ৮০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ হবে। আর প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। চারটি উত্তর ভুল হলেই কাটা যাবে ১ নম্বর।

পড়বেন যেভাবে

বাংলা :
বাংলা অংশে ব্যাকরণের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড প্রণীত ব্যাকরণ বইয়ের সব অধ্যায় উদাহরণসহ ভালোভাবে পড়তে হবে। জানতে হবে কবি-সাহিত্যিকদের সাহিত্যকর্ম ও জীবনী সম্পর্কে। এসএসসি ও এইচএসসি বোর্ড বইয়ের লেখক পরিচিতি ও সাধারণ জ্ঞান বইয়ের সাহিত্যিক পরিচিত, বই পরিচিতি অংশ পড়লে অনেকটা সহায়ক হবে।

পূর্বে যেমন প্রশ্ন হয়েছে :

ইতিপূর্বে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ব্যাকরণ থেকে ভাষা, বর্ণ, শব্দ, সন্ধি বিচ্ছেদ, কারক, বিভক্তি, উপসর্গ, অনুসর্গ, ধাতু, সমাস, বানান শুদ্ধি, পারিভাষিক শব্দ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, এককথায় প্রকাশ থেকে প্রশ্ন এসেছে। সাহিত্য অংশে গল্প বা উপন্যাসের রচয়িতা, কবিতার পঙ্ক্তি উল্লেখ করে কবির নাম থেকে প্রশ্ন ছিল।

ইংরেজি :
ইংরেজি গ্রামারে Right forms of verb, Tense, Preposition, Parts of Speech, Voice, Narration, Spelling, Sentence Correction-এর নিয়ম জানতে হবে এবং গ্রামার বইয়ের উদাহরণ থেকে চর্চা করতে হবে। মুখস্থ করতে হবে Phrase and Idoims, Synonym, Antonym ভালোভাবে শিখতে হবে। বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করলে ভালো করা যাবে।

গণিত :
পাটিগণিতের পরিমাপ ও একক, ঐকিক নিয়ম, অনুপাত, শতকরা, সুদকষা, লাভক্ষতি, ভগ্নাংশ, বীজগণিতের সাধারণ সূত্রাবলী থেকে প্রশ্ন থাকে। মুখে মুখে ও সূত্র প্রয়োগ করে সংক্ষেপে ফল বের করার প্র্যাকটিস করতে হবে। যাতে প্রশ্ন দেখামাত্রই সূত্র প্রয়োগ করে ফল বের করা যায়। জ্যামিতিতে প্রস্তুতি ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বর্গক্ষেত্র, রম্বস, বৃত্ত ইত্যাদির সাধারণ সূত্র ও সূত্রের প্রয়োগ দেখতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্যবই বিশেষত অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই অনুসরণ করলে ভালো হবে।

সাধারণ জ্ঞান :
প্রশ্ন বেশি আসে বাংলাদেশ অংশে বাংলাদেশের শিক্ষা, ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা, অর্থনীতি, বিভিন্ন সম্পদ, জাতীয় দিবস থেকে প্রশ্ন আসে।

আন্তর্জাতিক অংশে বিভিন্ন সংস্থা, দেশ, মুদ্রা, রাজধানী, দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা থেকে খেলাধুলা প্রশ্ন থাকে।

সাধারণ বিজ্ঞান থেকে বিভিন্ন রোগব্যাধি, খাদ্যগুণ, পুষ্টি, ভিটামিন থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। নিয়মিত বেশি বেশি পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করলে সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে।

মানবন্টন যেমন হয়

লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৮০। মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০।

প্রথমে বাংলা অংশ। এ অংশে ২০ নাম্বারের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে বাংলা সাহিত্য-৩ নাম্বার, বাংলা ব্যাকরণে ১৭ নাম্বার থাকবে। গনিত অংশেও থাকবে ২০ নাম্বার। এর মধ্যে পাটিগনিতে ৮ বা ৯, বীজগনিতে ৫ বা ৬, জ্যামিতিতে ৫ নাম্বার থাকবে। ইংরেজি অংশের ২০ নাম্বারের জন্য প্রস্তুতি হতে হবে জোড়ালো। এরপরেই রয়েছে সাধারণ জ্ঞান। ২০ নাম্বারের জন্য সাধারণ জ্ঞানের বাংলাদেশ অংশে ৭ বা ৮, আন্তর্জাতিকে ৫ বা ৬, সাম্প্রতিকে ৫ বা ৬ থাকবে।

লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেই মিলবে মৌখিক বা ভাইভার চিঠি। আর ২০ নাম্বারের ভাইভার মধ্যে ৫ নাম্বার থাকবে একাডেমিক ফলের উপর। আর বাকি ১৫ বোর্ড সদস্যদের হাতে। আপনার পারফর্মের উপরই এই ১৫ নম্বর নির্ভর করছে।

তো আর দেরি কেন? মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকতায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চাইলে এখনই শুরু করুন জোড় প্রস্তুতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *